ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯)

১।মূলত কবি ও সাংবাদিক ছিলেন,ঈশ্বর গুপ্ত নামেই সমধিক পরিচিত।

২।মধ্যযুগের শেষ প্রতিনিধি ভারতচন্দ্র ও আধুনিক যুগের প্রথম পুরুষ মাইকেল মধুসূদন  – এ দুই মনীষীর মধ্যবর্তীকালে ঈশ্বর গুপ্তের আবির্ভাব। তার মধ্যে মধ্যযুগের কাব্যবৈশিষ্ট্য ও আধুনিক যুগের সূচনা বৈশিষ্ট্য সমানভাবে লক্ষ করা যায় বলে তাকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়।

৩।ব্যঙ্গ বিদ্রুপ এবং দেশ ও সমাজভাবনা তাঁর রচনারীতির বিশেষত্ব।

৪।তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম ‘সংবাদ প্রভাকর'(সাপ্তাহিক,১৮৩১)।পরে ১৮৩৯ সাল থেকে  পত্রিকাটি দৈনিক প্রকাশিত হয়।এটি বাংলা ভাষার  দৈনিক পত্রিকা।

৫।সাংবাদিকতার পাশাপাশি কবিতাচর্চায় তিনি এ সময় মধ্যযুগের দেবদেবীর কথা বা কাহিনি নির্ভর কাব্যচর্চা বর্জন করে ব্যক্তি অভিজ্ঞতায় ছোট ছোট কবিতা লেখা শুরু করেন। তপসে মাছের মত সামান্য প্রাণীও  তাঁর কাব্যের বিষয়বস্তু হয়।বাংলার কোন ফল-মূল,খাবার তাঁর কবিতা থেকে বাদ যায়নি বলে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বর গুপ্তকে ‘খাঁটি বাঙালি’ কবি বলেছেন।

৬।ঈশ্বর গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ ছাড়াও  ‘সংবাদ রত্নাবলী'(১৮৩২),সংবাদ সাধুরঞ্জন (১৮৪৭) পত্রিকার সম্পাদনা করেন।

 

আলোচনা, সমালোচনা এবং মতামতের জন্য জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

 

প্রত্যেকটি পোস্ট এর আপডেট পাবার জন্য লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজ-এ

 

নিচের শেয়ারিং অপশন থেকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

 

Comments

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে সংযুক্ত আছেন? না থাকলে আপনার ফেসবুক এপ খুলে ‘BCS Corner‘ লিখে এখনই খোঁজ লাগান। প্রস্তুতির জন্য কতটা কাজে আসতে পারে যোগ না দিলে সম্ভব না জানা!