কালীপ্রসন্ন সিংহ

কালীপ্রসন্ন সিংহ (১৮৪০-১৮৭০):

১।ছদ্মনাম – হুতোম প্যাঁচা।

২।তাঁর প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি  প্রতিষ্ঠান -বিদ্যোৎসাহিনী সভা (১৮৫৩),বিদ্যোৎসাহিনী পত্রিকা (১৮৫৫),বিদ্যোৎসাহিনী রঙ্গমঞ্চ (১৮৫৬)।বাংলা সাহিত্যের নতুন ধারার মহাকাব্য  ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রকাশিত হওয়া মাত্র ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দেই মধুসূদনকে ‘বিদ্যোৎসাহিনী সভার’ পক্ষ থেকে কালীপ্রসন্ন সিংহ সংবর্ধনা জানান।

৩।দীনবন্ধুর ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) ইংরেজিতে অনুবাদ করে ছাপার দায়ে প্রকাশক রেভারেন্ড লঙ নামক এক পাদ্রিকে (অনুবাদে লেখকের বা অনুবাদকের নাম মুদ্রিত ছিল না বলে তাদের বিচার করা যায়নি)বিচারালয় ১ হাজার টাকা জরিমানা করে( ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুলাই)।কালীপ্রসন্ন সিংহ বিচারালয়ে উপস্থিত হয়ে নিজে সে অর্থ পরিশোধ করে পরোক্ষভাবে ‘নীলদর্পণ’ নাটকে ব্যক্ত বক্তব্যকে সমর্থন করেন।প্রসঙ্গত, ‘নীলদর্পণ’ নাটকের অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

৪।কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ (১৮৬২)।এ গ্রন্থের ভাষাকে  ‘হুতোমী ভাষা’ বলে।তাই কালীপ্রসন্ন সিংহকে ‘হুতোমী রীতি’র স্রষ্টা বলা হয়।

৫। তাঁর রচিত কয়েকটি নাট্যগ্রন্থ-

(ক)বাবু নাটক(১৮৫৪)

(খ)বিক্রমোর্বশী (১৮৫৭)

(গ) সাবিত্রী সত্যবান (১৮৫৮)

(ঘ)মালতী মাধব (১৮৫৯)।

আলোচনা, সমালোচনা এবং মতামতের জন্য জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে
 
প্রত্যেকটি পোস্ট এর আপডেট পাবার জন্য লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজ-এ
 
যদি এই টেস্টটি আপনার কাছে ভাল লাগে তাহলে নিচের শেয়ারিং অপশন থেকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Comments

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে সংযুক্ত আছেন? না থাকলে আপনার ফেসবুক এপ খুলে ‘BCS Corner‘ লিখে এখনই খোঁজ লাগান। প্রস্তুতির জন্য কতটা কাজে আসতে পারে যোগ না দিলে সম্ভব না জানা!