Career Guideline Part-02

পর্ব ২:

আজ বিসিএস রিটেন নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রিলিমিনারি ক্যাডার হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা, কিন্তু ক্যাডার হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো রিটেন। প্রিলিমিনারি হলো ওয়ানডে স্টাইলের ক্রিকেট ম্যাচ, আর রিটেন হলো টেস্ট ম্যাচ। টেস্ট ম্যাচ জেতার জন্য প্রতিটা সেশন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি রিটেন পরীক্ষায়ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিটা পরীক্ষায় মনোযোগ ধরে রাখা। কোনো একটা পরীক্ষা সামান্য খারাপ হলেও পরের পরীক্ষার জন্য কোন ধরনের অবহেলা করা যাবে না।

রিটেনের জন্য বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীর ভয়ের কারণ ইংরেজি আর গণিত। তবে এ দুই সাবজেক্টে নাম্বার তোলাও সবচেয়ে সহজ।

ইংরেজিতে প্যাসেজ থেকে ১০০ নাম্বার থাকে। প্যাসেজ থেকে ১০টা প্রশ্নে ৩০ নাম্বার। এখানে প্যাসেজ থেকে হুবহু কপি করে উত্তর করা যাবে না। নিজের ভাষায় উত্তর লিখতে হবে। বাক্য রচনাতে ১০ নাম্বার, এটাও নিজের ভাষায় লেখতে হবে। Editor এর কাছে পত্র, সামারাইজিং সবগুলোই Format ঠিক রেখে নিজের ভাষায় লিখতে হবে। Sentence making এ কোন ভুল করা যাবে না। এজন্য নিয়মিত Free hand writing প্রাকটিস করতে হবে। নির্ভুল লেখাটা অভ্যাসের বিষয়, এটা অল্প সময়ে তৈরি হয় না। অনুবাদে ২৫+২৫=৫০ (বাংলাতে ১৫ মিলিয়ে মোট ৬৫) নাম্বার যেটা গণিতের পুরো নাম্বারের সমান। তাই এখানে জোর দিতে হবে। নিয়মিত প্র্যাকটিস ও গ্রুপ করে আলোচনা/চর্চা করতে হবে। কঠিন ভাষায় অনুবাদ করা লাগবে না, সহজ সরল ভাষায় ছোট ছোট বাক্যে ভেঙ্গে ভেঙ্গে অনুবাদ করলে ভালো নাম্বার পাওয়া সম্ভব।

রচনার জন্য বাংলা ও ইংরেজির জন্য একসাথে প্রিপারেশন নিতে হবে। কয়েকটা রচনা সিলেক্ট করে এর জন্য প্রাসঙ্গিক ডাটা-কোটেশন নোট করে নিতে পারলে ভালো। তবে খুব বেশি ডাটা ব্যাবহার করলে রচনার সৌন্দর্য নষ্ট হবে এবং পরীক্ষার হলে এত ডাটা মনেও থাকবে না। কিছু কমন ডাটা যেমন জিডিপি, শিক্ষার হার, গড় আয়ু ইত্যাদি প্রায় সব রচনায় কোনো না কোনো ভাবে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। পরীক্ষা খাতায় ডাটাগুলো টেবিল আকারে দিলে পরীক্ষকের চোখে পরবে।

 

Rakhal Chandra Shil

Senior Officer

Bangladesh Krishi Bank

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে সংযুক্ত আছেন? না থাকলে আপনার ফেসবুক এপ খুলে ‘BCS Corner‘ লিখে এখনই খোঁজ লাগান। প্রস্তুতির জন্য কতটা কাজে আসতে পারে যোগ না দিলে সম্ভব না জানা!